মেনু নির্বাচন করুন
পাতা

বিধবা ভাতা

লোচনা-(১)ঃ সভায় উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা জানান যে, বিগত সভার সিদ্ধান্ত মোতাবেক ২০০৯-২০১০ অর্থ বছরে অত্র সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় প্রতিটি ইউনিয়নে অতিরিক্ত ৩ (তিন) জন করে বিধবা ও স্বামী পরিত্যক্তা দুঃস্থ মহিলা ভাতাভোগী নির্বাচনের নিমিত্তে তালিকা প্রস্ত্তত পূর্বক উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তার কার্যালয়ে জমা দেওয়ার জন্য তাগিদপত্র দেওয়া হয়, এবং উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা গত ০২/৩/২০১০ ইং তারিখে অত্র কার্যালয়ের অতিরিক্ত দায়িত্বভার গ্রহন করার পর পত্র মারফত ও মোবাইলে বহুবার চেয়ারম্যানদের সাথে যোগাযোগ করে শুধুমাত্র ১১ (এগার) টি ইউনিয়ন থেকে পূর্ণাঙ্গ তালিকা পাওয়া গিয়াছে। ইউনিয়ন গুলি হলো ১নং বামনডাঙ্গা, ২নং সোনারায়, ৪নং বেলকা, ৫নং দহবন্দ, ৬নং সর্বানন্দ, ৮নং ধোপাডাঙ্গা, ১০নং শান্তিরাম, ১১নং হরিপুর, ১২নং কঞ্চিবাড়ী, ১৪নং চন্ডিপুর ও ১৫নং কাপাশিয়া। বাদবাকী কিছু ইউনিয়ন থেকে আংশিক তালিকা পাওয়া গিয়াছে, তবে তা পূর্নাঙ্গ বা সঠিক নয়। উপরোক্ত ১১টি ইউনিয়ন থেকে প্রাপ্ত তালিকাগুলি অনুমোদনের জন্য তিনি সভায় উপস্থাপন  করেন।                                  

 

 সিদ্ধান্তঃ বিস্তারিত আলোচনান্তে প্রাপ্ত তালিকা সমূহ উপস্থিত সকলে পর্যবেক্ষন করেন এবং সংশ্লিষ্ট চেয়ারম্যানগণ জানান যে, তালিকাভুক্ত মহিলাগণ প্রকৃতই দুঃস্থ এবং ভাতা পাওয়ার উপযোগী। তাহারা কেহ কোন সরকারী ভাতাদি পায়না। অতঃপর তালিকাগুলি অনুমোদনের জন্য সর্ব সম্মতিক্রমে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয় (তালিকা সংযুক্ত)।বাকী ইউনিয়ন গুলি থেকে অতি সত্তর পূর্নাঙ্গ/সঠিক তালিকা দেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট চেয়ারম্যানগণকে অনুরোধ জানানো হয়।

 

আলেচনা- (২)ঃউপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা আরও জানান যে, গত ২০০৯-১০ অর্থ বছরে ৩নং তারাপুর ইউনিয়ন থেকে নির্বাচিত একজন বিধবা ভাতাভোগীর স্বামী জীবিত আছে এবং স্বামীর সাথে ঘর-সংসার করছে মর্মে উক্ত নামটি পরিবর্তন করার জন্য সংশ্লিষ্ট চেয়ারম্যান সাহেব আবেদন করেছেন এবং বেলকা ইউনিয়ন থেকে ২জন ভাতাভোগী মৃত্যুবরণ করায়, মৃত ভাতাভোগীর পরিবর্তে নতুন ভাতাভোগী নির্বাচনের নিমিত্তে সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ড কমিটির মাধ্যমে তালিকা পাওয়া গিয়াছে। তিনি সভায় তাহা উপস্থাপন করেন।


Share with :

Facebook Twitter